Photos
Posts

একজন কিশোরীর পোস্টমর্টেম দেখেছিলাম।
মৃত কিশোরীর সৌন্দর্য বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবুও বর্ণনা করা হল।
লম্বা এবং শুষ্ক চুল। মনে হচ্ছে কিছুক্ষন আগে শ্যাম্পু করে চুল শুকিয়েছে। মেয়েটা দাঁড়িয়ে থাকলে নিশ্চয় এই চুলে ঢেউ খেলত। টানটান মায়াবী চিবুক। চোখ বন্ধ থাকায় চোখের সৌন্দর্য কেমন বোঝা যাচ্ছেনা।
কিশোরীর মৃত শরীরটাকে টেবিলের উপরে শুয়ে দেওয়া হয়েছে। টানটান করে। মাথার নিচে আধাগজ চৌকাঠ। চৌকাঠটাকে বালিশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আমি জানি না কতজন মৃত মানুষের বালিশ হবার ভয়ংকর অতীত ...

Continue Reading

এক বিবাহিত যুবক, কঠিন রোগে মৃত্যু শয্যায় তার স্ত্রীকে ডাকলেন।তার চোখ দিয়ে অনুশোচনার অশ্রু ঝরছে।যুবকের স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন,এবং এটিই তাদের প্রথম সন্তান!

সে স্ত্রী কে বললো: দেখো,আমি সারা জীবনে নামাজ-রোজা করিনি!আজ মৃত্যু সময়ে ভুল ভেঙ্গে গেছে,কিন্তু আমি নিরুপায় আমার আর কিছু করার সময় সুযোগ হলো না।
যদি তোমার গর্ভের সন্তান বেঁচে থাকে,বড় হয় তাহলে তুমি তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিও।শুনেছি সন্তানের উসিলায়ও বাবা মা বেহেশতে যেতে পারেয়ে বললেন,তোমার কথাই রাখবো!

...

দু দিন পর যুবক মারা গেলেন।এর কয়েক দিন পর তার স্ত্রীর একটি ছেলে জন্ম নিলো!অনেক কষ্টের মাঝে যখন
ছেলেটির বয়স ছয় বছর পুর্ণ হলো তার মা তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিলেন!
প্রথম দিন মাদ্রাসায় শিক্ষক তাকে একটি আয়াত শিখালেন।

আয়াতটি হলো: ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম!
(পরম করুনাময় মহান আল্লাহ্ তায়ালার নামে শুরু করছি! )
মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পর ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর কবরের কাছে জিয়ারতে গেলেন!
ছেলেকে কবরের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে মা বললেন,ঐ তোমার বাবার কবর।ওখানে গিয়ে তোমার বাবার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবে!

(মাদ্রাসায় পড়া শিশুরা প্রায় সব সময় তাদের শিখিয়ে দেয়া আয়াত বা কালাম এমনি এমনি পড়তে থাকে)
এত ছোট্ট শিশু কিভাবে দোয়া করতে হয়,কিছুই জানে না।কিন্তু মাদ্রাসায় শিখানো জীবনের প্রথম আয়াতখানা বার বার কবরের সামনে তিলাওয়াত করতে লাগলো।

ওই ছোট্ট মুখের তিলাওয়াতের এমন শক্তি,আমার আল্লাহর দরবারে বিনা বাধায় পৌঁছে গেলো।মালিকের রহমতের দরিয়ায় বাঁধভাঙা জোয়ারের ডাক এসে গেলো!

মহান আল্লাহ্ তায়ালা আজাবের ফেরেশতাদের বললেন,এই মুহুর্তে ওই কবরবাসীর কবর আজাব বন্ধ করে দাও!
ফেরেশতারা বললোঃ হে দয়াময় পরোয়ারদিগার এই লোকটির আমলনামায় এমন কী পুণ্য পাওয়া গেলো?

যে তার জন্য নির্ধারিত কঠিন কবরের আজাব ক্ষমা করে দেয়া হলো?
ফেরেশতারা শোনো:
কবরের উপরে একটা অবুঝ শিশু বার বার তিলাওয়াত করছে,”বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”!
তিলাওয়াতকারী এই কবরবাসীর ওয়ারিশ,তার অবুঝ সন্তান।সে স্বাক্ষী দিচ্ছে আল্লাহ্ রাহমানির রাহিম!
-আল্লাহ্ পরম দয়ালু।

আমি যদি কবরবাসীকে ক্ষমা না করি,তাহলে আমি কেমন দয়ালু? (সুবহানাল্লাহ)
আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন।
বাবা মার জন্য বেশি বেশি দোয়া করুন।

See More
Posts

কথা বলার নীতিঃ
১. কথা বলার পূর্বে সালাম দেয়া। ( সূরা নূরঃ ৬১)
২. সতর্কতার সাথে কথা বলা (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়) ( সূরা
ক্বফঃ ১৮) ।
৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা। ( সূরা বাক্বারাহঃ ৮৩; বুখারী হ/...
১৪১৩) ।
৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা। ( সূরা নূরঃ ৩; বুখারী হা/ ৩৫৫৯) ।
৫. কন্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা। ( সূরা লুকমানঃ ১৯ সূরা হুজুরাতঃ ২ - ৩)
৬. বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলা। ( সূরা নামলঃ ১২৫)
৭. সঠিক কথা বলা ও পাপ মোচনের দুয়ার উন্মুক্ত করা । (সূরা আহযাবঃ
৭১ - ৭২) ।
৮. গাধার মত কর্কশ স্বরে কথা না বলা। ( সূরা লুকমানঃ ১৯; তিরমিযী হা/
৪৮৫৯) ।
৯. উত্তম কথা বলে শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করা ( সূরা হা- মীম
সাজদাহঃ ৩৪) ।
১০. উত্তম কথায় দাওয়াত দেয়া। ( সূরা হা- মীম সাজদাহঃ ৩৪) ।
১১. ঈমানদারদের কথা ও কাজ এক হওয়া। ( সূরা ছফঃ ২) ।
১২. পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্ষমার নীতি অবলম্বন করা । ( সূরা
অারাফঃ ১৯৯) ।
১৩. মেয়েরা পর পুরুষের সাথে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায়
কথা না বলা। ( সূরা আহযাবঃ ৩২) ।
১৪. ছেলেরা পর নারীর সাথে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায়
কথা না বলা।
১৫.মূর্খ ও অজ্ঞদের সাধ্যমত এড়িয়ে চলা। ( সূরা ফুরকানঃ ৬৩) ।
(১৬) হাসি মুখে কথা বলা।
__________Collected____________

See More
It looks like you may be having problems playing this video. If so, please try restarting your browser.
Close
2,354,970 Views
Food Network

You have to see the INSANE detail on Freed's Bakery's Fairy Cake!

Season 2 of #VegasCakes premieres tonight at 10|9c

আমাদের দেশের ফায়ার সার্ভিস, এম্বুলেন্স আর ভিআইপি গুলো যদি এই যান ব্যবহার করতো তাহলে রাস্তা অনেক নিশ্চিত হতো...

It looks like you may be having problems playing this video. If so, please try restarting your browser.
Close
78,248,675 Views
Tip Bandit

Futuristic Transportation Concept..LIKE Tip Bandit

নোয়াখালির এক ছেলে পরীক্ষায় অনেক
বিষয়ে ফেল করেছে। বাবা ছেলেকে
জিজ্ঞাসা করছে -
.
বাবা : তুই কিসে কিসে হেল কইচ্চস?...
.
ছেলে : ইংরেজি, ইতিহাস আর হিটি
( পিটি-শরীরচর্চা)য় হেল কইচ্চি।
.
বাবা : ইংরেজিতে হেল কইচ্চস কিল্লাই?
.
ছেলে : টিচার আঁরে কয় ট্রানস্লেশন কর-
তোমার মা করিম মিয়ার লগে ঘুরতে যায়।
আঁই কইছি, আঁর মা কি খারাপনি যে করিম
মিয়ার লগে ঘুরতে যাইব?
.
বাবা : ইতিহাসে হেল কইচ্চস কিল্লাই ?
.
ছেলে : টিচার আঁরে জিগায়, পানি পথের
যুদ্ধ কেন হয়েছিল ? আঁই কইছি, স্থল পথে
সুবিধা কইরতে হারে নাই ইয়াল্লাই হানি
পথে যুদ্ধ কইচ্চে।
.
বাবা : হিডিতে হেল কইচ্চস কিল্লাই।
হিডিতেতো আত পাও লারি চারি দিলেই
ফাশ করন যায়।
ছেলে : টিচার আঁরে কয় ডাইন আত তোল, আঁই
তুইলচি হেরপর কয় বা আত তোল, আঁই তুইলচি।
হেরপর কয় বাম পা তোল, আঁই তুইলচি হেরপর
কয় ডাইন পা তোল, আঁই কইছি চাইর আত পাও
তুলি আই কি আর সোনার উপর
খাড়াইতামনি?
.
বাবা : হুনলাম অংক আর বাঙলায়ও হেল
কইচ্চস। অংকে হেল কচ্চস কিল্লাই?
.
ছেলে - অসৎ ব্যবসার প্রশ্ন কইচ্চে দেহি আই
উত্তর দেই নো। প্রশ্ন কইচ্চে ২০ টাকা
সেরে ১০ সের দুধ কিনে ৩ সের পানি
মিশিয়ে আবার ২০ টাকা করে বিক্রি
করলে কত লাভ হবে। আঁর বাপ দাদা
চোদ্দপুরুষ কোনদিন এই ব্যবসা কইচ্চেনি?
আইয়ো কইত্তামনা কোনদিন। হেরলাই
উত্তর দেই নো।
.
বাপের প্রশ্ন, ঠিক আছে, বাংলায় হেল
কল্লিকা?
.
ছেলে - ডাক্তারি প্রশ্ন কইচ্চে আই কেমনে
হারুম। প্রশ্ন কইচ্চে, লিঙ্গ ফরিবর্তন কর।
আন্নে হারবেন নি? এডা কি কোন জামা-
কাফড় নি যে ফরিবর্তন করি ফালামু।
😜😜😜
— feeling funny
(Collected)

See More
NSL Pro - Akber Hussain Fitness Model added 149 new photos to the album: Healthy Tips. — with Nizam Uddin Aimim and 20 others.

Foods That Resemble The Body Parts They're Good For

Image may contain: one or more people and plant
Abdul Basith Chowdhury is with Radha Pada Deb Sajal and 4 others.

দেশের মানুষের ভাতের জোগান দিতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার এই সাহসী সোনার মানুষ টি পাবে না কোন রাষ্ট্রীয় সম্মান। তার পরিবার পাবে না কোন অনুদান। এটিই হচেছ আমাদের দেশের কৃষকদের ভাগ্য।

It looks like you may be having problems playing this video. If so, please try restarting your browser.
Close
Posted by Langit Quinn
Langit Quinn to PHI (Pusat Humor Indonesia) Satu

Kelakuan anak siapa nih? 😂😂

অাপনার অনেক ফ্রেন্ডকেই দেখবেন অন্য অনেক দিনের মত এপ্রিল ফুলও মহাসমারোহে উদ্যাপন করে। তারা কি এপ্রিল ফুলের প্রকৃত ইতিহাস জানে? নিশ্চই জানে না। জানলে হয়ত করত না।

যাইহোক, সমাজে অনেককেই পাবেন যারা এ বিষয়ে নূন্যতম জ্ঞান রাখেন না। এটা হয়ত তাদের দোষ নয়। কিন্তু এমন অনেককেই পাবেন যারা জেনেও প্রকৃত ইতিহাসটা লুকোচ্ছো। বিষয়টা লুকোনোর মধ্যে থাকলেও হয়ত অাজ লিখতে বসতাম না। কিন্তু যখন দেখলাম অনেকেই প্রকৃত সত্যটা সচেতন এবং উদ্দেশ্য- প্রণোদিতভাবে অস্বীকার করছে তখন অার অাশ্চর্য না হয়ে পারলাম না...। না, তারা কেউই অন্য ধর্মাবলম্বী নয়; অাপনার অামার মতই মুসলমান(!)

ইতিহাস বড়ই অাজব এক জিনিস। অজ্ঞতার কারণে অামরা অাজকে যে এক মিলিয়ন শহিদের অাত্মাকে অবজ্ঞা করছি, সময়ের অাবর্তনে একদিন হয়ত তাদেরকেই অপরাধী(!) বানাবো। হ্যাঁ, এটা সম্ভব; অামাদের মত মুসলমানদের পক্ষে এটা সম্ভব।

৭১১ খ্রিষ্টাব্দে তারিক বিন যিয়াদ কীভাবে স্পেন জয় করেছিলেন সে ইতিহাস না জানাটা হয়ত দোষের কিছু নয়। অাবার, ধরলাম যে প্রায় ৮০০ বছরের মুসলিম শাসনামলের স্পেনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস না জানাটাও স্বাভাবিক। কিন্তু ১৪৯২ সালের পহেলা এপ্রিলের ইতিহাস জানা কি উচিত নয়? অাগুনে দগ্ধ হয়ে যাওয়া দশ লাখ শহিদী অাত্মার ক্রন্দন শুনতে না পাওয়াটা দোষের কিছু নয়?

ইতিহাস হয়ত অামাদের শেকড়হীন, ইতিহাস অসচেতন, অাত্মমর্যাদাহীন জাতি বলবে। বলুক, ক্ষতি কী! তারপরও তো অামরা মুসলমান

See More

হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর ইন্তেকালে বেলাল (রাঃ) প্রায় পাগলের মতো হয়ে গেলেন । তিনি ব্যাগ গুছিয়ে চলে যাচ্ছেন । সাহাবীরা তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন :- “যে দেশে মহানবী (সঃ) নেই, আমি সেখানে থাকবো না”। এরপর তিনি মদীনা ছেড়ে দামস্কে চলে যান । কিছুদিন পরে বেলাল (রাঃ) সপ্নে দেখলেন যে মহানবী (সঃ) তাকে বলছেন, “হে বেলাল (রাঃ) তুমি আমাকে দেখতে আসো না কেন ”?

এ সপ্ন দেখে তিনি মহানবী (সঃ) এর রওজা মুবারক দেখতে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা হন । বেলাল (রাঃ) এর আগমনের খবরে মদীনাবাসী আনন্দে আত...্মহারা হয়ে যায় । বেলাল (রাঃ) হলেন মহানবী (সঃ) এর নিযুক্ত মুয়াজ্জিন । মহানবী (সঃ) এর ইন্তেকালের পর বেলাল (রাঃ) আর আযান দেননি ।

তার কন্ঠে আযান শুনতে সাহাবীরা ব্যাকুল হয়ে আছেন । তারা তাকে আযান দিতে বললে তিনি বলেন যে, তিনি পারবেন না ।

অনেক জোর করে তাকে বললে তিনি উত্তরে বলেন, “আমাকে অযান দিতে বলো না । কারণ এটা আমি পারবো না । আমি যখন আযান দিই তখন ‘আল্লাহু আকবর’ বলার সময় আমি ঠিক থাকি ।

‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার সময়ও ঠিক থাকি। ‘আশহাদু অন্না মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ বলার সময় মসজিদের মিম্বারের দিকে তাকিয়ে দেখি যে মহানবী (সঃ) বসে আছেন । কিন্তু যখন মিম্বারে তাকিয়ে তাকে দেখবো না, তখন সহ্য করতে পারবো না।”

কিন্তু তবুও সাহাবীরা জোর করলো । অবশেষে হাসান ও হোসাইন (রাঃ) এসে তাকে জোর করলে তিনি রাজী হন । তার আযান শুনে সকল সাহাবীর চোখে পানি এসে যায় । কিন্তু আযানের মাঝেই বেলাল (রাঃ) বেহুশ হয়ে পরে যান ।

তাকে সকলেই ধরে নিয়ে যান । পরে জ্ঞান ফিরার পর তিনি সকলকে বলেন, “আমি যখন আযান দিচ্ছিলাম তখন ‘আল্লাহু আকবর’ বলার সময় আমি ঠিক ছিলাম । ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার সময়ও ঠিক ছিলাম । কিন্তু ‘আশহাদুঅন্না মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ বলার সময় মসজিদের মিম্বারের দিকে তাকিয়ে দেখি যে মহানবী (সঃ) আজ সেখান বসে নেই । এ দৃশ্য আমি সহ্য করতে পারলাম না। তাই জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেলাম।”

💐সুবহানআল্লাহ

সূত্র : সাহাবীদের জীবনী

See More

এক দিন মা ফাতেমা (র) হযরত আলী (র:) কে বলল, স্বামী ঘরে কিছু সুতা কেটেছি, বাজারে বিক্রি করে ক্ষুধার্ত দু’সন্তান হাসান ও হোসেনের জন্য কিছু আটা নিয়ে এসো, হযরত আলী (র:) সুতা গুলো নিয়ে বাজারে ৬ দিরহামে বিক্রি করলেন। এমন সময় এক অসহায় ছাহাবা হযরত আলী (র:) কে বলল আলী, কিছু দিরহাম কর্য হবে! আমার ঘরে বাচ্চারা
না খেয়ে আছে। একথা শুনে হযরত আলী (র:) নিজের ঘরের কথা চিন্তা না করে সুতা বেচা ৬ দিরহাম ঐ অসহায় ছাহাবাকে দিয়ে দিলেন।

কিছুক্ষন পর দেখল বাজারে এক ব্যক্তি একটি উট নিয়ে হযরত আলীর নিকট এসে... বলল, আলী উট নিবে! হযরত আলী (র) বলল নিব, কিন্তুু দিরহাম (টাকা) নাই।লোকটি বলল নাও, টাকা পরে দিলে চলবে। এ বলে লোকটি চলে গেল, কিছক্ষন পর আর একটি লোক এসে হযরত আলীকে বলল, আলী তোমার উটটি বিক্রি করবে, নগদ ৩০০ দিরহাম দিব। হযরত আলী (র:) বললেন
নাও, নগদ ৩০০ দিরহাম দাও। হযরত আলী (র:) ৩০০ দিরহাম দিয়ে উটটি বিক্রি করে উটের আসল মালিককে খুজতে লাগল।

কিন্তুু পুরু বাজারে উটের আসল মালিককে খুজে না পেয়ে ঘরে চলে আসল। ঘরে এসে দেখল, নবীজি (স:) মা ফাতেমার সাথে বসে আছেন। নবীজি (স:) মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আলী! উটের ঘটনা আমি বলব, নাকি তুমি বলবে! হযরত আলী (র:)
হয়রান হয়ে বললেন, ইয়া রসুলাল্লাহ (স:) আপনি বলুন।

নবীজি (স:) বললেন, আলী প্রথমে যে তোমাকে উট বাকীতে দিয়ে ছিল, সে হচ্ছে হযরত জিব্রাঈল (আ:) আর পরে ৩০০ দিরহাম
দিয়ে যে উটটি কিনে ছিল, সে হযরত ইস্রাফিল (আ:)। উট ছিল জান্নাতের মা ফাতেমার, যা দিয়ে জান্নাতে মা ফাতেমা (র:) সওয়ার
হবেন। তুমি যে অসহায় ছাহাবাকে সুতা বেচা ৬ দিরহাম কর্য দিয়েছিলে, তাহা আল্লাহর নিকট খুব পছন্দ হয়েছে, আর তাহার বদলা আল্লাহ দুনিয়াতেই তোমাকে কিছু দিয়ে দিয়েছেন। # আমিন

See More
It looks like you may be having problems playing this video. If so, please try restarting your browser.
Close
Posted by Mr. Mango
6,730,943 Views
6,730,943 Views
Mr. Mango is with Armaan Bhati.

লাইফটা ভার্চুয়াল না, অথচ আমরা ক্রমশই ভার্চুয়ালি ডিপেন্ডেন্ট হয়ে যাচ্ছি। প্রতিদিন অসংখ্য অনুভূতি চাপা পড়ছে Emoticon-এর নিচে। Same কাজ করে প্রতিদিন Shame-এর কারণ ...হচ্ছি। আসুন Emoticon-এর মিথ্যে পৃথিবী থেকে বের হয়ে জীবনটা দেখি অন্য চোখে!
Youtube Link: https://goo.gl/YYcWku
#Sameshame #MrMango

See More
It looks like you may be having problems playing this video. If so, please try restarting your browser.
Close
Posted by Tinystep
7,519,436 Views
7,519,436 Views
Tinystep

Hi mommy, this is our first day together

Video Credit: Payitaht

It looks like you may be having problems playing this video. If so, please try restarting your browser.
Close
Posted by HD Viral Videos
1,489,606 Views
1,489,606 Views
It looks like you may be having problems playing this video. If so, please try restarting your browser.
Close
Posted by Slayer Thoughts
377,669 Views
377,669 Views
Slayer Thoughts

OMG It's just so sweet 😍😍😍💋

Image may contain: 2 people, people smiling, closeup
Antor Akand

অনলাইন ফোরামে নিজের চাহিদা লিখে পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন পূজা চৌহান নামে পঁচিশ বছর বয়সের এক যুবতী। যুবতীর পোস্টটি পড়ে উত্তর দিলেন স্বয়ং ধনকুবের মুকেশ আম্বা...নি। ছোট্ট ওই পোস্টেই মুকেশ বুঝিয়ে দিলেন, কেন তিনি ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি।

মুকেশ আম্বানি ও জনৈক পূজা চৌহানের সেই পোস্ট নিয়ে এখন জোর চর্চা অনলাইন দুনিয়ায়। কী রয়েছে পোস্টটিতে?

পূজা চৌহান লিখছেন,

আমি এই বছর ২৫ বছরে পা দেব। খুবই সুন্দরী। স্টাইলিশ, রুচিশীল। আমি এমন একজন স্বামী চাই, যাঁর বার্ষিক বেতন হবে ১০০ কোটি বা তার বেশি। আপনি হয়তো বলবেন, আমি একটু বেশিই উচ্চাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু বর্তমানে বার্ষিক ২ কোটি টাকা বেতনে একেবারেই মধ্যবিত্তের মতো জীবনযাপন করতে হয়। সেদিক থেকে আমার চাহিদা একেবারেই বেশি নয়। এই ফোরামে এমন কেউ আছেন, যাঁর বার্ষিক বেতন ১০০ কোটি টাকা? তাঁরা কি সবাই বিবাহিত?

কেন আপনাকে আমি বিয়ে করব? এখনও পর্যন্ত আমি যতগুলো ডেটে গিয়েছি, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেতনের পুরুষটির বেতন ছিল বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা। অতএব আমি ৫০ কোটি টাকার পর থেকেই ভাবছি। তার কারণ কেউ যদি নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে অভিজাত এলাকায় বসবাস করেন, তাহলে বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা বেতন একেবারেই যথেষ্ট নয়। আমি কিছু প্রশ্ন করছি।

কেন সব ধনী ব্যক্তিদের স্ত্রীরা দেখতে মোটামুটি মানের হয়? আমার কিছু বান্ধবী আছে, তারা দেখতে খুব একটা ভালো নয়, কিন্তু তাদের বিয়ে হয়েছে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে। ধনী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে আমার প্রশ্ন, আপনি কী দেখে সিদ্ধান্ত নেন, যে এই মহিলা আমার স্ত্রী হবেন, আর ইনি গার্লফ্রেন্ড?

ওই ফোরামটিতে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ আম্বানি রয়েছেন। তিনি পোস্টটি দেখে উত্তর দেন। বুদ্ধিদীপ্ত সেই উত্তরটি হল---

প্রিয় পূজা,

আমি আপনার পোস্টটি খুব মন দিয়ে পড়েছি। এবং দেখলাম, আরও বহু মেয়ের আপনার মতোই প্রশ্ন রয়েছে। দয়া করে একজন পেশাদার লগ্নিকারী হিসেবে আপনার প্রশ্নগুলিকে একটু বিশ্লেষণ করতে দিন।

আমার বার্ষিক আয় ১০০ কোটি টাকার বেশি। আপনার চাহিদা মতোই। কিন্তু একজন ব্যবসায়ী হিসেবে, আপনাকে বিয়ে করা খুবই খারাপ সিদ্ধান্ত হবে। খুব সহজ উত্তর। দেখুন, আপনি চাইছেন, সৌন্দর্য ও টাকার বিনিময়। অর্থাৎ আপনাকে বিয়ে করলে একজন সুন্দরী স্ত্রী পাওয়া যাবে। তার বদলে আপনি হবেন ধনী। কিন্তু সমস্যা হল, আপনার এই যৌবন ও সৌন্দর্য একসময় শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আমার টাকা শেষ হবে না। বস্তুত, প্রতি বছর আমার আয় বাড়বে। কিন্তু প্রতি বছরই আপনি আরও সুন্দরী হয়ে উঠবেন না।

অতএব অর্থশাস্ত্রের নিরিখে, আমি একজন অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাসেট। আর আপনি ডেপ্রিসিয়েশন অ্যাসেট। অর্থাৎ আপনার যৌবন ও রূপই যদি আপনার সম্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে ১০ বছর পর আপনার সম্পত্তি অনেকটাই কমে যাচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিটে একটি প্রবাদ আছে, প্রত্যেক ট্রেডিংয়ের একটি পজিশন থাকে। আপনার সঙ্গে ডেটিং-ও একটা ট্রেডিং পজিশন। যদি ট্রেড ভ্যালু কমে যায়, তাহলে তা আমরা বিক্রি করে দিই। খামোখা দীর্ঘমেয়াদী ফেলে রেখে লাভ নেই। একই ভাবে আপনাকে বিয়ে করলেও তাই হবে। শুনতে খুব খারাপ লাগলেও সত্যি, যে কোনও সম্পত্তি, যার ডেপ্রিসিয়েশন ভ্যালু বেশি, তা বিক্রি করে দেওয়া বা লিজ দেওয়াই লাভজনক।

যে ব্যক্তির বার্ষিক আয় ১০০ কোটি টাকা, সে নিশ্চয়ই বোকা নয়। ব্যবসায়ী দৃষ্টিভঙ্গিতে আপনার সঙ্গে ডেট করাই যায়, কিন্তু বিয়ে করা যায় না। অতএব কোনও ধনীকে বিয়ে করার স্বপ্ন আপনার না দেখাই বুদ্ধিমানের। বরং নিজে ১০০ কোটি আয় করার চেষ্টা করুন। কোনও ধনীকে বোকা বানানোর চেয়ে ভালো হবে। আশা করি এই উত্তরটি আপনাকে ভাবতে সাহায্য করবে।

See More